বাংলায় সিনেমা রিভিউ-ব্লগের সংখ্যা হাতেগোনা। যেগুলো আছে, সেগুলি-ও খুব একটা উচ্চমানের নয়। সিনেমা সমালোচনাও একরকমের সাহিত্য। এবং সব সমালোচনার মতো এরও কিছু শৈল্পিক গুণাবলী আছে বা থাকা দরকার। 

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর সঙ্গীত সমালোচক, জন পারেলেসের মতে, “The best criticism merges the details of the individual experience— the close-up— with a much broader picture of what the experience means.” অর্থাৎ, একটা ভালো সমালোচনায় ছোটোখাটো বিষয়গুলোর ওপর তো‌ জোর দেওয়া হয়ই, তার সাথে-সাথে সেগুলি দর্শকের মনে সার্বিকভাবে কী অনুভূতি জাগাচ্ছে সেটিরও তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে।‌ সেইজন্যই এই ব্লগটির নাম ‘সিনেমা নিয়ে’।

সংক্ষেপে বললে: একটা সিনেমা দেখার পর ঠিক কী-কী অনুভূতি হল, কেন এইরকম অনুভূতি হল, এবং সেই অনুভূতিগুলো আমার প্রতেকদিনকার জীবনে কী প্রভাব ফ্যালে— সেগুলো নিয়েই আলোচনা করব এইখানে।

‘কেন’-র বিশ্লেষণে বিভিন্ন technical-দিক গুলোও থাকবে। যেমন, ‘টাইটানিক’ সিনেমার বিখ্যাত হাগ সিনটিতে ফোকাসের গণ্ডগোল আছে কিন্তু তবুও ওই সিনটি অনেকের‌ প্রিয়! কেন বলুন তো!

সত্যজিৎ রায়ের ‘প্রতিদ্বন্দি’-র একটা শটে— যখন সিদ্ধার্থ আর কেয়া একটি বহুতলের ছাদে দাঁড়িয়ে ‘মিছিল নগরী’-কে দেখছে— তখন, কেন জানি না আমার এডওয়ার্ড হুপারের আঁকা একটা ছবির কথা মনে পড়ল। কেন বলো তো!

এই সব ‘কেন’-গুলোর উত্তর খুঁজে মরতে, এই ব্লগ। কিন্তু কতগুলো ‘কেন’ আছে সেটা তো জানি না! তাই, ‘নিয়ে’-র পরে তিনটে ডট ‘...’।